সূরা আত-তাকাথুর, "বিশ্ব বৃদ্ধিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা" বা "দ্য পাইলিং আপ" নামেও পরিচিত, এটি কুরআনের একটি ছোট অধ্যায় যা পার্থিব সম্পদ এবং সাধনা নিয়ে অত্যধিক ব্যস্ততার বিরুদ্ধে সতর্ক করে। সূরা আত-তাকাথুর থেকে সংশ্লিষ্ট আয়াত সংখ্যা সহ আমরা মূল বিষয়গুলি শিখতে পারি:
1. পার্থিব বৃদ্ধিতে প্রতিযোগিতা: সূরাটি মানুষের সম্পদ, সম্পদ এবং পার্থিব দ্রব্য সংগ্রহের জন্য নিরলস প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়ার প্রবণতাকে তুলে ধরে, প্রায়শই জীবনের বৃহত্তর উদ্দেশ্যকে অবহেলা করে।
- আয়াত 1-2: "প্রতিযোগিতা [সাংসারিক জীবনে] আপনাকে বিমুখ করে যতক্ষণ না আপনি কবরস্থানে যান।"
2. মৃত্যুর অনুস্মারক: সূরা আত-তাকাথুর ব্যক্তিদের মনে করিয়ে দেয় যে তাদের পার্থিব লাভের সাধনা অবশেষে তাদের মৃত্যু এবং কবরের বাস্তবতার দিকে নিয়ে যাবে, যেখানে তাদের বস্তুগত সম্পদের কোন মূল্য নেই।
- আয়াত 2-3: "না! আপনি জানতে যাচ্ছেন। তারপর না! আপনি জানতে যাচ্ছেন।"
3. হিসাব ও জবাবদিহিতা: সূরাটি পার্থিব জীবনের অস্থায়ী প্রকৃতির স্বীকৃতি এবং নিজের কাজ ও পছন্দের জন্য আল্লাহর কাছে চূড়ান্ত জবাবদিহিতার গুরুত্বের উপর জোর দেয়।
- আয়াত 6-7: "আপনি অবশ্যই জাহান্নাম দেখতে পাবেন। তারপর আপনি অবশ্যই নিশ্চিত চোখে দেখতে পাবেন।"
4. জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য: সূরা আত-তাকাথুর পার্থিব সাধনার ক্ষণস্থায়ী প্রকৃতিকে প্রতিফলিত করার জন্য এবং এই পৃথিবীতে অস্থায়ী লাভের চেয়ে পরকালের অনন্ত জীবনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য একটি অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।
- আয়াত 8: "অতঃপর সেদিন অবশ্যই তোমাদেরকে ভোগ-বিলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।"
সামগ্রিকভাবে, সূরা আত-তাকাথুর পার্থিব সঞ্চয়ের প্রতি উদাসীন প্রতিযোগিতা এবং আবেশের বিরুদ্ধে সতর্ক করে, ব্যক্তিদের জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্যের দিকে মনোনিবেশ করতে এবং পরকালের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানায়, যেখানে তারা তাদের কর্মের জন্য দায়বদ্ধ হবে।